
সোমবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।ধর্ম উপদেষ্টা লিখেছেন, ঈদ মিছিলে মূর্তি কারা আনলো, কারা বৈধতা দিলো (অগোচরে ষড়যন্ত্র) সকলকে ধর্ম অবমাননার দায়ে আইনের আওতায় আনা হবে ইনশাআল্লাহ!!
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: “নিশ্চয়ই সবচেয়ে কঠোর শাস্তি সেই ব্যক্তির হবে, যে মূর্তি তৈরি করে।” (বুখারি: ৫৯৫০, মুসলিম: ২১০৯)
আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত ঈদ আনন্দ মিছিলে ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের পবিত্র ঈদ উৎসব মুসলমানদের জন্য বিশেষ এবাদত ও আনন্দের দিন। যা সবসময় ইসলামের বিধান অনুযায়ী আমরা উদযাপন করে থাকি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপেরর সাথে বলতে হচ্ছে যে, এবারের ঈদ মিছিলে মোগল ঐতিহ্যের নামে ব্যান্ড পার্টি, হাতি-ঘোড়া এবং বিভিন্ন জীবের মূর্তি প্রদর্শন করা হয়েছে। যা ইসলামিক সংস্কৃতি ও আকীদার সাথে সম্পূর্ণরূপে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও স্পষ্টভাবে ইসলামের বিধানের লঙ্ঘন।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ইসলাম ধর্মে মূর্তি ও ভাস্কর্যের কোনো স্থান নেই। ইসলামের নামে এই কাজ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের শামিল। মঙ্গল শোভাযাত্রার আদলে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের ইসলামি সংস্কৃতিকে পরিবর্তন করার অপচেষ্টা মোটেও বরদাশত করা হবে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মুসলমানদের ঈদের অংশ হতে পারে না এবং এটি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যাত। আমরা এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিকট দাবি জানাচ্ছি।
মহাসচিব আরো বলেন, অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এহেন ইসলামবিরোধী কার্যকলাপের পুনরাবৃত্তি যেনো না ঘটে, সে-ই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। একইসাথে মুসলিম উম্মাহকে নিজেদের ঈমান-আকীদা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং ইসলামবিরোধী সব চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।