Home Third Lead মাদারগঞ্জে বিএনপি দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, সম্মেলন স্থগিত

মাদারগঞ্জে বিএনপি দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, সম্মেলন স্থগিত

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর এই অবস্থা। ছবি সংগৃহীত

বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, জামালপুর: মাদারগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে  ৯ জন আহত হয়েছে। সম্মেলনও স্থগিত করা হয়েছে ঘটনার।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার তেঘরিয়া বাজারে সাহেদ আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে চরপাকেরদহ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্যান্ডেল প্রস্তত করার সময় এই সংঘর্ষ ঘটে। আজ শুক্রবার এই সম্মেলন হওয়ার কর্মসূচি ছিল।

জানা যায়,  সম্মেলনে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ প্রত্যাশী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো: মজনু ফকির ও যুগ্ম আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব তরফদার নিজেদের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্যান্ডেল ও মঞ্চ প্রস্ততের কাজ চলমান থাকার এক পর্যায়ে সভাপতি পদ প্রত্যাশী দুই নেতার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

সংঘর্ষ চলাকালে সম্মেলনের মাঠে বিকট শব্দে দুইটি ককটেল বিস্ফোরনের শব্দ শোনা যায়।  মাঠে থাকা প্রায় দুই হাজার চেয়ারে পেট্রোল ঢেলে আগুন জালিয়ে দেয়া হয়। স্কুল মাঠে সম্মেলনের জন্য তৈরি করা মঞ্চ এবং কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়।

মাদারগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক শামীম আহমেদ (২২), বালিজুড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আল আমিন চৌধুরী (২২), যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম (৪০), ছাত্রদল নেতা শ্যামল মিয়াকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও আব্দুস সোবহান (৪১) নামে এক নেতার মাথায় গুরুত্বর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। আহত অন্য নেতাকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী চলে গেছেন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মো: মজনু ফকির ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব তরফদার একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান বলেন, চরপাকেরদহ ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সম্মেলনের মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরনের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।