নিহতরা হলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার কান্তপুর গ্রামের ইনসাব আলী (৭৫), তার ছেলে আইয়ুব আলী লাবু (৩৫) ও মেয়ে পারভিন বেগম, ইনসাব আলীর নাতনি রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী শারমিন ও একই উপজেলার মকিমপুর গ্রামের সিএনজি চালক মোখলেসুর রহমান (৪৫)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে রাজশাহী অভিমুখে আসছিল। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পণ্যবাহী একটি ট্রাক নাটোরে যাচ্ছিল। বেলপুকুর পৌঁছলে ট্রাকটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দোকানে ঢুকে যায়। এতে একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত পাঁচজনকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। সেখানে চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
একই পরিবারের যে ৪ জন নিহত হয়েছেন তারা আইয়ুব আলীর চিকিৎসার জন্য রাজশাহী যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ট্রাকের হেলপার হৃদয় (১৯) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার বাড়ি কাটাখালি সিটি গেট এলাকায়।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম এ জলিল জানান, হাসপাতালে যে পাঁচজনকে আনা হয় তাদের মধ্যে দুই নারীসহ চারজন মারা গেছেন।