নাজমুল হোসেন
চট্টগ্রাম : সিটি কর্পোরেশনের নতুন মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতা-কর্মী, সহপাঠিদের অভিনন্দন-শুভেচ্ছায় ভাসছেন রেজাউল করিম চৌধুরী।
বুধবার বিজয়ী হবার পর পরই ফেসবুকে এমন ঝড় ওঠে। যেগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় করোনার সময়ে দলীয় নেতা কর্মীরা ছাড়াও শুভাকাঙ্ক্ষী, এমপি-মন্ত্রীরা শুভেচ্ছা জানাতে পারছেন কোনো বাঁধা ছাড়া। শুধু তাই নয় মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার আকূতিও জানিয়েছেন অনেকে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, অভিনন্দন নব-নির্বাচিত সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম।
জাতীয় সংসদের নারী-আসন ২ এর সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা অপু উকিল শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, অভিনন্দন নব-নির্বাচিত সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, অভিনন্দন বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম।
সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হওয়া এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আগামী পাঁচ বছরের জন্য আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে চসিক মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট।

রেজাউল করিম ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সদস্য হন। ১৯৬৯-১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৭০-১৯৭১ সালে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি ১ নম্বর সেক্টরের বিএলএফ এর মাধ্যমে
মুক্তিযুদ্ধের গেরিলাযুদ্ধে অংশ নেন।
এছাড়া, ১৯৭৩-১৯৭৫ সালে তিনি উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। ১৯৮০ সালে মহানগর যুবলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৭-২০০৬ সালে মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ২০০৬-২০১৪ সালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল করিম চৌধুরী। বর্তমানে তিনি নগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।